Saturday, 29 April 2017

প্রায় সবার হাতেই ‘অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের’ স্মার্টফোন দেখতে পারবেন। এরকম নয় যে অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন মানুষ ব্যবহার করেনা তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আধিক্য বেশি। এর মূল কারন হচ্ছে এই অপারেটিং সিস্টেমের চমৎকার সব স্মার্টফোন যেমন কিনতে অনেক টাকা লাগে ঠিক তেমনি এর লো-এন্ড ফোনগুলোর দামও আবার থেকে যায় হাতের নাগালের মধ্যেই। তবে, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে এটি সময়ের সাথে সাথে কিছুটা ধীর গতির হয়ে যায়। তাই, আজকে আমি কিছু টিপস শেয়ার করব যার সাহায্যে সম্পুর্ন না হলেও আপনার স্মার্টফোনটিকে অনেকাংশেই স্মুথ করে তোলা সম্ভব হবে।

১। আপনার স্মার্ট ফোনটির ফার্মওয়্যার আপডেট করুনঃ

আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই কিছু ল্যাগের সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরী।

২। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ‘রিসেট’ করুনঃ

আমরা সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে ‘পুনঃস্থাপন করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও ‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই কাজ করে। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন আপনার স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন আপনার স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন স্মুথ? কিন্তু, সময়ের সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে সেই স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ করেন তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে গিয়ে ঠিক সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ হয়ে যাবে। সব ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য যে ফাইল গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি। কিন্তু এতে করে যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই আপনি রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি স্মার্টফোন।

সতর্কতাঃ ‘ফ্যাক্টোরি রিসেটের’ ফলে আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারন্নাল স্টোরেজে থাকা প্রয়োজনীয় কন্টাক্ট, ক্ষুদে বার্দা, ক্যালেন্ডার এনট্রি, মেমো এবং আপনি যে অ্যাপলিকেশন গুলো ব্যবহার করতেন – এগুলো সব মুছে যাবে। তাই, রিসেট করার পূর্বে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুলো ব্যাক-আপ নিয়ে রাখুন। যদিও, গুগলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে কন্টাক্ট এবং ক্যালেন্ডার এন্ট্রি সহ কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদে বার্তাও সিনক্রোনাইজড হয়ে থাকে।

৩। মাঝে মাঝেই আপনার ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ চেক করুনঃ

স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে গেলে স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে পারেন। এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল ফাইলে জমে থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইল যেমন, গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল স্টোরেজ তথা মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে দিন। তবে, বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে বিধায় এই টিপসটি সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেনঃ

আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক কিলারের মত কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।

● পুরোনো স্মার্ট ফোন গুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ‘auto task killer’ অ্যাপলিকেশনটি। এটি আপনার নির্ধারিত ‘n’ সময় অন্তর অন্তর আপনার নির্ধারিত কিছু অ্যাপলিকেশনের প্রোসেস কিল করে স্মার্ট ফোনের র‍্যাম ফ্রি করতে সাহায্য করবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই, বেশি র‍্যাম ফ্রি থাকার অর্থ হচ্ছে স্মার্ট ফোন দ্রুত অপারেট হবে।

● ভালো মানের একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। কম্পিউটারের মত স্মার্টফোনও নানা রকম ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং একটি ভালো এন্টিভাইরাস এই সকল ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারকে সনাক্ত করন এবং পরে মুছে ফেলে আপনার স্মার্টফোনটিকে কিছুটা হলেও গতিশীল করবে।

● ব্যবহার করতে পারেন ‘start up manager’ এর মত কিছু অ্যাপলিকেশন। এই অ্যাপলিকেশনের ফলে আপনি আপনার ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবার সময় নির্ধারন করে দিতে পারবেন যে ঠিক কোন অ্যাপলিকেশন গুলো সক্রিয় হবে আর কোন গুল নিষ্ক্রিয় থাকবে।

● ‘Juice defender’ টাইপের অ্যাপলিকেশনগুলো অনান্য অ্যাপলিকেশন গুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে অটোমেটিক স্টার্ট হতে না দিয়ে আপনার ফোনের এবং আপনার ফোনের ব্যাটারীকে সাপোর্ট দিয়ে যাবে।

● ‘cache cleaner’ অ্যাপলিকেশনগুলো মোবাইলের মেমরীতে জমে থাকা বিভিন্ন রকম কেচ ফাইল মুছে দিয়ে স্মার্টফোনকে স্মুথ করবে।

● ‘Apps to SD card’ অ্যাপলিকেশনটি একটি প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন। এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইন্সটলড থাকা অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার ফোনের এক্সটার্নাল মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং এতে করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ ফ্রী হবে, বিধায় কিছুটা হলেও স্মার্ট ফোন দ্রুত কাজ করবে। তবে মনে রাখবেন, এই অ্যাপলিকেশনটির সাহায্যে সকল প্রকার অ্যাপলিকেশনই মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করা সম্ভব হবেনা, কিছু কিছু অ্যাপলিকেশন ট্র্যান্সফার করার জন্য আপনার ফোনটিকে ‘রুট’ করে নিতে হবে।

● ’Spare parts’ জাতীয় অ্যাপলিকেশনগুলো কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কনফিগারেশন প্যানেলে আপনাকে এক্সেস করতে দিবে, যেমন ধরুন- ট্র্যানজিশান অ্যানিমেশন কনট্রোল।

৫। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলো মুছে ফেলুনঃ

আমরা বিভিন্ন সময়ে প্লে স্টোরে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় অনেক রকম অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করি কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপলিকেশন গুলো খুব একটা ব্যবহার করিনা। এরকম অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন মুছে ফেলা উচিৎ। এতে করে স্মার্টফোনের র‍্যাম ফ্রি থাকবে এবং ফলাফল স্বরূপ আপনার স্মার্ট ফোনটি আগের তুলনায় কিছুটা হলেও ল্যাগ ফ্রি হবে।

৬। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুনঃ

আমরা কম্পিউটারে কোন সমস্যায় পরলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে থাকি, তাতে করে কম্পিউটারের সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে দূর হয়ে যায়। স্মার্ট ফোনের ব্যপারটি একই। যদিও, এই ট্রিকসটি একটি টেম্পোরারী অপশন, তবুও এটা কাজ করে।

৭। আপনার স্মার্ট ফোনটি রুট করুনঃ

স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করার ফলে আপনি কিছু অ্যাডিশনাল সুবিধা পাবেন এবং সেই সুবিধা গুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনটি আরও ভালো ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। যদিও এক্ষেত্রে রুটিং প্রোসেসটি এক প্রকারের রিস্কি সমাধানের পর্যায় পরে তবে এখন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট এবং ফোরামের কল্যাণে স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করা এখন বলা চলে অনেক সহজ এবং ঝুঁকির পরিমানও ঠিক আগের মত নেই। ঝুঁকির কথা বললাম কেননা, আপনি যদি রুট করার সময় সফল না হন তবে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক অবস্থায় চলে যেতে পারে। আবার, আপনি সফল ভাবে রুটিং প্রোসেস সম্পন্ন করলেও আপনার স্মার্ট ফোনের সাথে দেয়া ‘ওয়ারেন্টির’ অফারটা শেষ হয়ে যাবে যদিও এখন আপনি চাইলেই আপনার রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি আন-রুট করতে পারবেন এবং ওয়ারেন্টি ফিরে পাবেন। এখন বলি যে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্ট ফোন স্পিড আপ এর সাথে এই রুটিং এর কী সম্পর্ক।

● ওভার ক্লকঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসের প্রসেসরটি ওভারক্লক করতে পারবেন এবং একটি ওভার ক্লকড প্রসেসর স্বাভাবিক ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা প্রসেসরের তুলনায় বেশি পরিমান কাজ করতে সক্ষম হবে। তাই, প্রসেসর ওভার ক্লক করার মাধ্যমে আপনি এভাবেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।

● কাস্টম রমের ব্যবহারঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসটিতে কাস্টম রম ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যদিও, কাস্টম রম ব্যবহার কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের পর্যায়ে পরে এবং ঝুঁকি পূর্ন তবুও কাস্টম রম ব্যবহার করে স্মার্ট ফোনের গতি বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই। কেননা, কাস্টম রমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন থাকে না বললেই চলে এবং এর ফলে কোন অ্যাপলিকেশন অহেতুক স্মার্ট ফোনের র‍্যামের রিসোর্স ব্যবহার করেনা এবং এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের ফলে স্মার্ট ফোনের কিছু বাগ ফিক্স হয়ে যায়। তবে ঝুঁকির কথা বললাম এজন্যেই যে মাঝে মাঝে কাস্টম রম গুলো স্ট্যাবল হয় না এবং এর ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

● অপ্রোয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলতে পারবেনঃ প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের স্টক রমে দেখা যায় নানা রকম অ্যাপলিকেশন প্রি-ইন্সটলড করা থাকে যা অনেকেই ব্যবহার করেন না। ‘রুট’ করার ফলে আপনি যেহেতু আপনার ডিভাইসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা হাতে পাচ্ছেন সে কারনে আপনি চাইলে সিস্টেমে ইন্সটল্ড থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে পারবেন ফলে আপনার স্মার্ট ফোনটি কিছুটা হলেও হবে স্মুথ এবং দ্রুত গতির।

Tuesday, 11 April 2017

How to find and remove any computer virus in Windows using CMD Command


How to find and remove any computer virus in Windows using CMD Command

Viruses, malware, trojans, worms! These evil things can penetrate your computer through numerous ways like internet browsing, from USB devices, phishing link in your email and also by installing infected software. Most of these viruses make your computer slow and eat up valuable memory as well as storage space. Some more powerful viruses are meant to contaminate our operating system too and steal personal information and banking data.

The conventional method to identify and remove such unwanted program from your computer is to install an anti-virus software and scan your computer for any viruses/trojans/worms that exist and quarantine them. However, there are some computer users out there who use unconventional methods to find such virus. Today we are discussing such unconventional method by using Command Prompt or DOS Prompts to identify and remove such virus. The method is simple and straight which even a layman computer user can proceed with, just follow the steps given below :

How To Remove Computer Viruses Using CMD

The Command Prompt or CMD/DIS Prompt is a command line utility program on Windows 10. Though the command prompt is rarely used by layman PC/laptop users, it is a powerful utility in the hands of pro hackers. CMD has access to reconstruct all Windows system files by using various attributes like removing the hidden attributes which a virus normally uses.

One of the leading causes of virus infections in computers and the CMD method work on USB to remove its viruses and secure your computer.

Steps To Remove Computer Viruses Using Command Prompt:

Step 1. Click on Start and type cmd. Now right click on the cmd icon and select run as administrator. Running the command as administrator is important as you need to access the system files which are not usually visible in guest accounts. Now command prompt window will open, now select your drive from which you want to remove a virus.

Step 2. Let us suppose your USB has a virus and your USB drive is F. Type “F:” without quotation on Command line.

Step 3. Now the C: will change to F: Now you need to type “dir F:” in CMD and hit enter. It will show you the directory of F drive.

Step 4.  So now type the following command to show all the hidden and system files on your USB drive. Type “dir F: attrib -s -h /s /d *.*”  without quotations and press enter. Typing this command will explore your selected drive and will load all the files including hidden and system files on your drive.

Step 5. In this window you will notice unusual file.exe  and extention if your computer has been infected with a virus like the dreaded autorun.inf virus. Rename it using this command line rename filename.extension new filename. Usage > C://rename autorun.inf (new filename)

That’s it!  Now you can identify all the viruses in your PC and USB and delete them without any help of anti-virus software. You can delete the autorun.inf by typing in the command “del autorun.inf” or del :”yourfilename”

Monday, 3 April 2017

How much dollar Mark gets from ur fb profile


জানেন, আপনার প্রোফাইল থেকে দিনে কত টাকা রোজগার করেন ফেসবুক-মালিক জুকেরবার্গ

প্রায় ১৪ কোটি ভারতবাসী ফেসবুকের সঙ্গে যুক্ত। স্বভাবতই ভারতীয়দের মনে কৌতূহল হওয়া স্বাভাবিক যে, এক এক জন ভারতীয়ের প্রোফাইল থেকে প্রতি দিন ঠিক কত টাকা রোজগার করেন জুকেরবার্গ
ফেসবুক নিঃসন্দেহে এই মুহূর্তে দুনিয়ার সব চেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। ২০১৬-র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ফেসবুক গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৮৬ কোটি। স্বভাবতই ফেসবুকের মালিক মার্ক জুকেরবার্গ পৃথিবীর অন্যতম ধনকুবের। পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর ১৬তম ধনী জুকেরবার্গ। তাঁর রোজগারের প্রধান উৎস কিন্তু ফেসবুক গ্রাহকদের প্রোফাইল। গ্রাহকদের প্রোফাইল না থাকলে, মার্কের রোজগারও থাকবে না। আর ফেসবুক গ্রাহকদের একটা ব়ড় অংশ বসবাস করে ভারতে। পরিসংখ্যান বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে ভারতেই ফেসবুক ইউজারের সংখ্যা সর্বাধিক। প্রায় ১৪ কোটি ভারতবাসী ফেসবুকের সঙ্গে যুক্ত। স্বভাবতই ভারতীয়দের মনে কৌতূহল হওয়া স্বাভাবিক যে, এক এক জন ভারতীয়ের প্রোফাইল থেকে প্রতি দিন ঠিক কত টাকা রোজগার করেন জুকেরবার্গ?

২০১৬-র লাস্ট কোয়ার্টার্লি রিপোর্ট পেশ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তা থেকে জানা যাচ্ছে, ফেসবুকের এক দিনের গড় রোজগার ৩৭ লক্ষ ডলার। হিসেব বলছে, ২০১৬ সালে এক এক জন ইউজারের প্রোফাইল থেকে প্রতি দিন গ়ড়ে ১৬ টাকা করে রোজগার করেছে ফেসবুক। ২০১৫ সালে অঙ্কটা ছিল ৯ টাকা প্রতি প্রোফাইল। সেই জায়গায় এক এক জন ভারতীয় ফেসবুক ইউজারের প্রোফাইল থেকে গড়ে দৈনিক ৬১০ টাকা করে ২০১৬ সালে রোজগার করেছে ফেসবুক। অর্থাৎ সারা বিশ্বে যা রোজগার, তার প্রায় ৩৮ গুণ টাকা জুকেরবার্গ রোজগার করেন ভারতীয়দের প্রোফাইল থেকে।

Thursday, 30 March 2017

AFTER 31 MARCH JIO VS AIRTEL WHICH IS GOOD FOR YOU..???


Post the inception of Reliance Jio and its plan, there has been an interesting tariff war among telecom companies, where many including Airtel and Vodafone have accused it of disrupting the market. While the ‘Happy New Year’ is nearing its end, meaning there will be no free data and unlimited calls, as you need to pay to avail the offer.
In order to make things attractive, Reliance Jio launched its Prime plan that of course looks quite good for the cost. Seeing this, Airtel, Vodafone, and Idea have come with up their own version of bundled plans offering free local+STD calls and up to 28GB of data for prepaid users. So, today, let’s compare the bundled plan of both Airtel and Reliance Jio.
Reliance Jio
In order to continue using the ‘Happy New Year’ Plan, the user must sign in to the Prime membership plan with Rs. 99 per year. In addition to that, users need to pay for a choose tariff per month starting at Rs. 149.
If you are not recharging your number after Prime membership enrollment, the company will automatically cancel your the plan for yourself. The last date for enrolling into the Jio Prime membership program is March 31. The Plans of Reliance Jio are as follows:
Rs 149 plan: Prime Members get 2GB data in 4G speeds with a validity of 28 days along with 100 SMS.
If the above plan doesn’t suit you, from 1st April 2017, users can pay Rs. 303 per month to avail free unlimited calls, SMS, and 1GB internet per day. This tariff plan can avail 28GB of data for just Rs. 303 with a validity of 28 days.

Also, on the other hand, the Jio users will still continue to enjoy free 4G internet from 2 AM to 5 AM at night.
If suppose 1GB per day is not enough for you, users can opt for another plan that is priced at Rs 499 which will offer 56GB of 4G data along with free unlimited calls and SMS. In this plan, users will get a 2GB daily limit on this plan.
Airtel
In an attempt to counter the threat posed by Jio, Bharti Airtel also came up with an offer equivalent to Jio’s 303 Plan. The Rs 345 plan from Airtel will get you 28GB of 3G/4G data with a validity of 28 days but with a catch here.
If you recharge for Rs. 345 customers will be able to use only 500MB of the 1GB daily allowance between 6 AM to midnight and the other 500 MB can be used between 12 AM to 6 AM only.
Moreover, customers need to recharge this Rs 345 plan before March 31, to avail this service for a period of 12 months. In addition to data, customers will also get unlimited local and STD calls as well.

Tuesday, 28 February 2017

১) নিজের মূল্য বুঝে বেতন হাঁকুন


ইন্টারভিউ শেষ করার পর যে জিনিসটি আসে তার জন্যই সব চাকরি প্রার্থী অপেক্ষায় থাকেন। ঠিকই ধরেছেন, আপনার পে প্যাকেজ কী হবে- তা নিয়ে কথাবার্তা হয় সংস্থার সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই পর্বে এক কথায় খানিকটা দড়ি টানাটানি হয়।

এই টানাটানির জেরে অনেক সময়ই প্রার্থীরা বেতন খুইয়ে বসেন। তবে বুদ্ধি করে যদি কথা বলা যায় ‘কষ্টের কেষ্ট’ মেলে। এ ক্ষেত্রে কীভাবে কথা বলা উচিত জেনে নিন এখান থেকে।

১) নিজের মূল্য বুঝে বেতন হাঁকুন
প্রথমেই আপনাকে নিজের মূল্য জানতে হবে। আপনি কতটা বেতন পাওয়ার যোগ্য তা নিরপেক্ষভাবে আগে নিজে ভাবুন। তারপর প্যাকেজের কথা বলুন। কথা বলার সময় যদি নিজের ওপর আপনারই সন্দেহ থাকে, তবে আপনি নিঃসন্দেহে হারবেন। কনফিডেন্সের সাথে কথা বলুন। নিজের মূল্য বুঝিয়ে দিন, প্যাকেজ পাবেন মনের মতো।

২) হঠকারিতা চলবে না
চাকরি পাওয়ার জন্য অনেকেই যা প্যাকেজ পাচ্ছেন তাতেই ‘হ্যাঁ’ বলে দেন। এখানেই দাঁও মারেন এইচআর-রা। আগে শুনে নিন আপনাকে কী দেয়ার কথা ভাবে হচ্ছে, তার পর আপনি কী চাইছেন সেটা বলুন। মনে রাখবেন প্রথমে যে প্যাকেজটা আপনাকে দেয়া হবে সেটা কম হিসাবেই ধরা থাকে। তাই অপেক্ষা করুন। হঠকারি হবেন না।

৩) ৩০ বাড়াতে চাইলে ৪০ বলুন
মনে রাখবেন যিনি আপনার সাথে বেতন নিয়ে কথা বলছেন, তিনি আপনার থেকে অনেক বেশি বুদ্ধি রাখেন। আপনি যা চাইছেন তারা সব সময় সেটি কমানোর চেষ্টা করবেন। তাই একটু বেশি বললে ক্ষতি নেই।

আরো পড়ুন – নৌবাহিনীতে বিভিন্ন পদে চাকরি

৪) অন্য সংস্থার অফার দেখান
প্রথমেই মনে রাখতে হবে, ব্লাফ সব ক্ষেত্রে খাটে না। যদি সত্যিই আপনার কাছে অন্য সংস্থার ভালো বেতনের অফার থাকে সেটা বলুন। না হলে নয়। যদি সেই সংস্থা বর্তমান সংস্থার প্রতিদ্বন্দ্বি হয়, তবে তো আরো ভালো। এটা খুব ভালো কাজ করে।

৫) ইনসেন্টিভ এবং বোনাস ধরুন
আগের সংস্থায় বেতন যা পেতেন তার সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা এবং বোনাস অবশ্যই ধরবেন। তারপর প্যাকেজের কথা বলুন।

৬) অ্যাগ্রেসিভ নয়, যুক্তি দিয়ে কথা বলুন
ঠাণ্ডা মাথা ভালো কাজ করে। বহু পুরনো কথা আরো একবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। তাই কোনো ক্ষেত্রেই মাথা গরম করা চলবে না। আপনি যে প্যাকেজটি চাইছেন তা যে আপনি পাওয়ার যোগ্য সেটা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিন। এটা মোক্ষম কাজ করবে।

03/02/2017 অনলাইন আয়ের সেরা মাধ্যম ইউটিউব থেকে কীভাবে আয় করবেন? – বিস্তারিত আলোচনা সহ

বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে অনলাইন আয় গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখতে পারে…।আমি জানি প্রতেক মানুষের মধ্যে কোন না কোন ট্যালেন্ট আছে… আর এখনই ট্যালেন্ট কাজে লাগানোর সময়…একটু চেষ্টা করলে আপনি প্রতি মাসে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। চাইলে আপনি অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে পারবে।অনলাইনে আয় করতে তেমন কিছুই লাগেনা, লাগে শুধু ধৈর্য আর ইচ্ছা। আর অনলাইন থেকে আয় করার নির্ভরযোগ্য একটি প্ল্যাটফর্ম হলো ইউটিউব।

বর্তমানে অনেক মানুষ আছেন যারা ইউটিউব থেকে প্রছুর টাকা আয় করে চলেছে।অনেকেই হয়তো ভেবে থাকবেন আমি তো টেকনোলজি সম্পর্কে কিছুই জানিনা তাহলে কিভাবে আয় করবো? শুধু আপনার না অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন জাগে। সেজন্য আছে ইউটিউব। ইউটিউব থেকে আয় করতে গেলে কোন টেকনোলজি সম্পর্কিত জ্ঞান লাগেনা। আপনি যে বিষয়ে এক্সপার্ট সে বিষয়ে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

যেমন ধরুন আপনি গান গাইতে পারেন অথবা ভালো অঙ্কের সমাধান করতে পারন তাহলে আপনি ভিডিওর মাধ্যমে অঙ্কের সমাধান করে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপলোড করুন। আপনি যেটাই ভালো পারনে সেটা নিয়েই লেগে থাকুন ইউটিউবে। আর যেকোন সমস্যায় আমি আছি হেল্প করার জন্য।  ইউটিউব থেকে কীভাবে আয় করবেন সেটা নিয়ে ভিডিও সহ বিস্তারিত আলোচনাঃ

ইউটিউব আয় করার জন্য যেগুলো লাগবেঃ
১। একটি গুগল অ্যাকাউন্ট
২। ভেরিফাইয়েড অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট
৩। ১৮+ বয়স (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং অ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্য)

এগুলো হলেই আপনি আয় শুরু করতে পারবেন। তবে বার বার আমি যে কথা টা বলি সেটা হলো ধৈর্য। আপনি প্রথমেই আয় করতে পারবেন না। ধীরে ধীরে আপনার চ্যানেলের ভিউয়ার এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে হবে।আপনি যদি লেগে থাকতে পারেন, তাহলে আপনি অবশ্যই পারবেন।

ফেসবুকের অজানা এবং মজার কিছুর তথ্য


১। ফেসবুকে প্রথম বিনিয়োগ করে পেপালের (Paypal) কো-ফাউন্ডার পিটার থিয়েল। তার বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমান ছিল ৫ লক্ষ ডলার। যদিও বর্তমানে ফেসবুক কিনতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ১৪ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার।

২। ফেসবুক যাত্রার কিছুদিনের মধ্যেই প্রায় বন্ধ হওয়ার জোগার হয়েছিল আরেকটি সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইট কানেকট ইউ (ConnectU) এর মামলার কারনে। তারা দাবি করেছিল ফেসবুক তৈরি হয়েছে তাদেরই আইডিয়া এবং টেকনলজি ব্যবহার করে। যদিও পরবর্তীতে কোর্টের বাইরে এই মামলার মিমাংসা হয়। ফেসবুক এর জন্য কানেকট ইউ (ConnectU) কে কত টাকা দিয়েছে তা কখনই প্রকাশ করে নি।

৩। ফেসবুকের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াতে কোর্ট নটিশ (court notice) এবং যে কাউকে কোর্টে উপস্থিতির জন্য ডাকতে (court sumon) পারে।

৪। বর্তমানে ফেসবুকের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেইজটি হলো কার্টুন সিম্পসনের পেইজ (Simpsons) । এই পেইজটিকে এখন পর্যন্ত লাইক দেয়েছে ৭ কোটি ৬৪ হাজারের বেশি ব্যক্তি। দ্বিতীয়তে আছে মাইকেল জ্যাকসনের পেইজটি। যাতে প্রায় ৭ কোটি ব্যক্তি লাইক দিয়েছে।

৫। আইসল্যান্ডে নতুন সংবিধান তৈরির সময় সংবিধান কমিটি তাদের ড্রাফট সংবিধানটি সম্পূর্ন ফেসবুকে শেয়ার করেছিল। পরবর্তীতে সে দেশের নাগরিকরা সম্পূর্ন ড্রাফট সংবিধানটির উপর ফেসবুকে মতামত জানিয়েছে। সেইসব মতামতের উপর ভিত্তি করে সরকার সে দেশে নতুন সংবিধান তৈরি করা হয়।

৬। Facebook Addiction Disorder (FAD) হলো একটি মানসিক ব্যধি। যারা অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার করে তারা সাধারনত এই ব্যধিতে আক্রান্ত বলে মনোবিদরা মনে করে। কয়েকটি দেশে এই রোগ নিরাময়ের জন্য নিরাময় কেন্দ্র আছে।

৭। পৃথিবীর চারটি দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। দেশগুলো হলো সিরিয়া, ভিয়েতনাম, ইরান এবং চীন।

৮। ‘কোন মা তার বাচ্চাকে নিজের স্তন্যপান করাচ্ছে’- এ ধরনের কোন ছবি কোন ইউজার ফেসবুকে আপলোড করলে তার একাউন্ট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ডিলিট করে দেয়। তাই ছবি আপলোড করার সময় সাবধান!

৯। এলিয়েন (Allien) নামে কেউ কোন একাউন্ট খুললে সেই একাউন্ট ফেসবুক কতৃপক্ষ ডিলিট করে দেয়। (খুলেই দেখেন… )